গান গেয়ে ম্যাশের কাছে

0
17
.

মহিবুল আরিফ ও মাশরাফিকিছুদিন আগেই শ্রীলঙ্কা সফরে টি-টোয়েন্টি থেকে আচমকা অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। সারা দেশের ভক্তদের মতোই চট্টগ্রামের তরুণ মহিবুল আরিফ প্রিয় খেলোয়াড়ের এমন সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি। মাশরাফিকে দলে ফেরার আকুতি জানিয়ে গান বেঁধে ফেলেন তিনি।সেই গানই আরিফকে পৌঁছে দিল মাশরাফির কাছে।

.

মাশরাফি৮ এপ্রিল ‘ফিরে এসো ম্যাশ’ শিরোনামের গানটি ফেসবুকে পোস্ট করেন আরিফ। দিন গড়াতেই গানটি ভাইরাল হয়ে যায়। এমনকি পৌঁছে যায় মাশরাফির কানেও। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কিউরেটর জাহিদ রেজা বাবু আরিফকে নিয়ে যান মাশরাফির কাছে।

মাশরাফির সঙ্গে দেখা করার জন্য চট্টগ্রামের মিরেরসরাই থেকে ঢাকায় ছুটে আসেন আরিফ। ২২ এপ্রিল রাত সাড়ে আটটার দিকে মাশরাফির মিরপুরের বাসায় তাঁর সঙ্গে দেখা হয় আরিফের।

গতকাল প্রথম আলো কার্যালয়ে কথা হচ্ছিল মহিবুল আরিফের সঙ্গে। প্রিয় মানুষের সাক্ষাৎ পাওয়ার উচ্ছ্বাস তখনো তাঁর চোখেমুখে। বলেন, ‘যাঁর জীবন থেকে পাওয়া শিক্ষা মেনে চলি, তাঁর সামনে যাব—ভাবতেই ভেতরে কেমন উত্তেজনা কাজ করছিল।’ প্রায় ২০ মিনিট প্রিয় খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান আরিফ।

মাশরাফির সঙ্গে দেখা করে আরিফ গানও শুনিয়েছেন। বিদায়বেলায় ম্যাশের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দিয়েছেন লাল-সবুজ গামছা, লুঙ্গি ও গেঞ্জি।

মাশরাফিকে নিয়ে তৈরি গান প্রসঙ্গে আরিফ বলেন, ‘অবসরের খবর জেনে পাঁচ মিনিটে গানটি লিখেছিলাম।’ এরপর নিজেই সুর করেন। পরদিন বন্ধু সরোয়ার উল আলমকে নিয়ে গানটি রেকর্ড করেন। গানের ভিডিও তৈরি করেন আরেক বন্ধু সাদমান সময়। আরিফ বলেন, তাঁর এ গানটি যখন ছড়িয়ে পড়ল, তখন নাকি একটি প্রতিষ্ঠান এটি লাখ টাকা দিয়ে কিনতে চেয়েছিল। মাশরাফির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার কারণে তিনি গানের স্বত্ব বিক্রি করেননি।

চট্টগ্রামের এই তরুণের গানে হাতেখড়ি কলেজ পেরোনোর পর। বন্ধুদের নিয়ে গড়ে তোলেন ‘নিউরন’ নামে একটি গানের দল। আরিফ সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন। পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে গান করেন। এ ছাড়া প্রথম আলো বন্ধুসভাসহ জড়িত আছেন স্বেচ্ছাসেবী বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here