গুগল গ্লাস এ আসক্তি দিন দিন বাড়ছে

0
75

ফেসবুকে আসক্তি কিংবা “ সেলফি ” একটি মানসিক ব্যাধি, একথা আমরা কমবেশি সবাই জানি। সেই তুলনায় “ গুগল গ্লাস ” একটি নূতন প্রযুক্তি। কিন্তু নতুন একটি সমীক্ষায় জানা গেছে, এই প্রথম একজন রোগীকে গুগল গ্লাস এ আসক্তির চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তিনি মূলত সুরাসক্তি (এলকোহলিজম)- এর চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন।

স্যান ডিয়েগোর চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ৩১ বছর বয়সী এই রোগীর আরো বিভিন্ন রকমের মানসিক সমস্যার পুরানো ইতিহাস রয়েছে। গুগল গ্লাস ব্যবহার করতে না পারায় তার মধ্যে পুরোমাত্রায় হতাশা ও বিরক্তি লক্ষ্য করা গেছে।

গুগল গ্লাস

গুগল গ্লাস

২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হাসপাতালে ভর্তি হবার আগপর্যন্ত তিনি দৈনিক ১৮ ঘণ্টা করে গুগল গ্লাস ব্যবহার করতেন। শুধুমাত্র ঘুমানো এবং গোসলের সময় এটি খুলে রাখতেন। তিনি অফিসেও পড়ে যেতেন এই গ্লাস এবং এতে তিনি নিজেকে আরো বেশি আত্ম-বিশ্বাসী মনে করতেন।

গুগল গ্লাস এর ব্যবহারকারীরা কপালের পাশে অবস্থিত নিয়ন্ত্রণ মডিউল দিয়ে এর বিভিন্ন সুবিধা কাজে লাগান। সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, গ্লাসটি খুলে নেয়ার পরেও এই রোগীর হাত কপালের পাশে উঠে যাচ্ছে, যদিও গ্লাসটি সেখানে নেই! আরো জানা গেছে যে, অফিসে তাকে এই গ্লাস পড়তে দেয়া না হলে তিনি অল্পতেই বিরক্তি প্রকাশ করতেন এবং সবার সাথে অযথাই তর্কে জড়িয়ে পড়তেন।

চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে দেখা গেছে যে, এলকোহলিজমের চিকিৎসার চেয়ে, গুগল গ্লাস এর চিকিৎসায় তার বেশী কষ্ট হয়েছে। ৩৫ দিন হাসপাতালে কাটানোর পর তার মধ্যে বিরক্তির প্রকাশ এবং কপালের পাশে হাত চলে যাবার প্রবণতা অনেকটাই কমে গেছে।

চিকিৎসকদের মতে, গুগল গ্লাস এ আসক্তির এটাই প্রথম ঘটনা, যেখানে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়েছে।

গুগল গ্লাস,google glass,ফেসবুক আসক্তি,ডিয়েগোর চিকিৎসক,পুরানো ইতিহাস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here