দলের প্রয়োজনে বোলিংও করবেন মুশফিক

1
103

সৈয়দ কিরমানি; ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল উইকেটরক্ষক। উইকেটের পেছনে এতটাই তত্পর ছিলেন যে, কোনো এক টেস্টে অতিরিক্ত রান দেননি তিনি। অসাধারণ উইকেটরক্ষকের পরিসংখ্যান বলছে, টেস্ট ক্রিকেটে বোলিং করেছেন। শুধু বোলিংই নয়, পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে উইকেটও পেয়েছেন তিনি। ১৯৮৩ সালে নাগপুর টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের আজিম হাফিজকে বোল্ড করেছিলেন কিরমানি। হয়তো ভারতীয় সাবেক উইকেটরক্ষকের কথা মাথায় রেখেই দলের প্রয়োজনে বোলিং করতে প্রস্তুত। শ্রীলঙ্কা সফরে দুই টেস্ট খেলতে আজ ঢাকা ছাড়ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সফরের প্রত্যাশা নিয়ে গতকাল কথা বলেন টাইগার অধিনায়ক মুশফিক। তখনই উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব বাড়তি বোঝা কি না, প্রশ্নের মুখে পড়েন টাইগার অধিনায়ক। তার উত্তরেই বলেন, দলের প্রয়োজনে বোলিংও করতে চান।

পরিসংখ্যান যাই বলুক না কেন,  টেকনিক্যালি বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিক। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ানও। সেই সেঞ্চুরিটা করেছিলেন আবার গলে ২০১৩ সালে। সেই গলেই এবার প্রথম টেস্ট। কলম্বোয় বাংলাদেশ খেলতে নামবে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের ১০০তম টেস্ট। তাই টেস্ট সিরিজটি ঐতিহাসিক। ঐতিহাসিক সিরিজে খেলতে যাওয়ার আগে নিজের কিপিং নিয়ে প্রশ্ন শুনতে হবে, যেন প্রস্তুত ছিলেন মুশফিক। গত এক-দুই বছর ধরেই নিন্দুকেরা সমালোচনা করে চলেছেন মুশফিকের উইকেট কিপিংয়ের। নানাভাবে নির্বাচক প্যানেলের প্রভাবও বিস্তার করতে চাইছেন। তবে টিম ম্যানেজমেন্ট এখনো মুশফিকের ওপরই আস্থা রাখছেন। বিশেষ করে হায়দরাবাদে ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্টে একাধিক স্ট্যাম্পিং মিস করায় সমালোচকরা ফের লাইম লাইটে চলে আসে। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটিং ও কিপিং নিয়ে যখন প্রশ্ন করা হয় টাইগার অধিনায়ককে, তখন বিব্রত হতে দেখা যায়নি তাকে। বরং হাসিমুখে বলেন, ‘কিপিংয়ে ঠিকঠাক কাজ করার কথা সব সময়ই মাথায় থাকে। পৃথিবীর কোনো কিপার নেই, যাদের ভুল হয় না। আমার মতে এই মুহূর্তে বিশ্বের এক নম্বর কিপার ভারতের ঋদ্ধিমান সাহা। সেও কিন্তু মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের স্ট্যাম্পিং মিস করেছিলেন। ব্যাটিংয়ের সময় মনোযোগ থাকে আরও ভালো করার। সত্যি বলতে, আমি নিজেকে কিপার কাম ব্যাটসম্যান ভাবতেই ভালোবাসি। ’

উত্তরে জানিয়ে দিয়েছেন, শ্রীলঙ্কা সফরে কিপিং করতে প্রস্তুত। সঙ্গে অবশ্য এটাও বলেছেন, ‘টিম ম্যানেজমেন্ট যদি চান, তাহলে অন্য কেউ কিপিং করবেন। আমি বেশ কয়েকটি টি-২০ ম্যাচে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবেই খেলেছি। ’ টেকনিক্যালি বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান-এ নিয়ে কারও কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু তার কিপিং নিয়ে প্রশ্ন করছেন সবাই। পরিসংখ্যান কি বলে? ৫২ টেস্টে ৩০৭২ রান করার মুশফিক কিন্তু উইকেটের পেছনেও সফল। ৮৫ ক্যাচের পাশাপাশি ১১টি স্ট্যাম্পিংও করেছেন। আর ৪টি ডিসমিসাল করলেই বাংলাদেশের প্রথম উইকেটরক্ষক হিসেবে ১০০টি ডিসমিসালের মাইলস্টোন গড়বেন মুশফিকর রহিম।

1 COMMENT

  1. Thanks , I’ve recently been looking for inrftmaoion about this subject for a long time and yours is the best I’ve found out till now. However, what about the conclusion? Are you sure concerning the source?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here