হাতের কাছের জিনিষ দিয়েই দাত ব্যথা কমান

0
38
দাত
দাত
হাতের কাছের জিনিষ দিয়েই দাত ব্যথা কমান।
প্রথমেই বলে নেই আমি দন্ত্য বিশেষজ্ঞ নই। কিছুদিন পূর্বে রাতে হঠাত প্রচন্ড দাত ব্যথা শুরু হল। ইউকেতে দাতের ডক্টরের এপয়েন্মেন্ট পেতে সপ্তাহ খানেক লেগে যায়।
ইমারজেন্সিতে গেলে ওরা পেইন কিলার দিয়ে ব্যথা কমিয়ে দেয়, কিন্তু গুনতে হয় প্রচুর টাকা। এত রাতে ইমারজেন্সিতে যেতে অন্যদের জাগাতে হয়। তাদের বিরক্ত না করতে পেইন কিলার খেলাম, কিন্তু পেইন কিলার খেয়েও যখন কোন উপকার হল না, তখন ইন্টারনেটে খোজ করে কয়েকটি সমাধান পাই যেগুলো দাতের ব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকর। তা আপনাদের সাথে সাথে শেয়ার করলাম.
১/ পেপার ও লবণঃ
লব্ণ ও ব্লাক পেপার এর মিশ্রণ দাতের ব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকর।বিশেষ করে খুবি সেন্সিটিব ব্যথায়ও এই পেষ্ট কার্যকর। এতে আছে এন্টি ব্যাক্টেরিয়া,এন্টি
-ইনফ্লামেটরি এবং এনালজেসিক উপাদান যা দাতের ব্যথা কমাতে কার্যকর।
পেষ্টটি তৈরী করতে সম পরিমান ব্লাক পেপার ও সল্ট নিন।তার পর খুবই অল্পপরিমান পানি দিয়ে পেষ্ট বানান। তার পর পেষ্টটি ব্যথাযুক্ত দাতের গোড়ায় দিন। কিছুক্ষণ রাখুন। ব্যথা কমে যাবে, এভাবে প্রতিদিন কয়েকবার করেন। কয়েকদিনেই মাড়ির ফোলা কমবে ও ব্যথাও নাই হয়ে যাবে।
২. গার্লিক দিয়েই ফাইট দিন ব্যথার সাথেঃ
গার্লিক আপনার দাতের ব্যথাকে পরাজিত করতে পারে। গার্লিকে আছে এন্টিবায়োটিক উপাদান ও বিভিন্ন ব্যথা নাশক উপাদান, যা সহজে ও দ্রুত আপনার দাতের ব্যথা কমাতে সহায়ক।
এর জন্য রসুনকে প্রথমে পেষ্ট করুন (রসুন পাওডার মিলে, সেটি দিয়েও হবে) তারপর তার সাথে কিছু পরিমান লবণ মেশান। সেই পেষ্ট দাতের ব্যথার স্থানে লাগান। পেষ্ট আপনার ব্যথা শুষে নিবে। আপনি চাইলে রসুনের কোয়া বা কলিও চিবাতে পারেন, এটাও কার্যকর। এটা দিনে কয়েকবার সহ দু-তিনদিন করুন। দাত ব্যথা কমে যাবে।
৩. পেয়াজ কেন পিছিয়ে থাকবে!
দাতের ব্যথাকে পরাজিত করতে পেয়াজও সমান কার্যকর। কারণ এতে আছে এন্টিসেপ্টিক এবং এন্টি-মাইক্রো্বিয়াল উপাদা্ন যা দাতের ইনফেকশনের জন্য মূল দায়ী জার্ম গুলোকে বন্দুকযুদ্ধে হত্যা করে ফেলে ঃ -)
এর জন্য কাচা পেয়াজের খোসা/টুকরো নিন এবং চিবান কয়েক মিনিট। আরাম পেতে শুরু করবেন। যদি চিবাতে না পারেন তাইলে পেয়াজের টুকরো আক্রান্ত দাতের মাড়িতে স্থাপন করে দিন। ধীরে ধীরে ব্যথা কমে যাবে।
৪. লবঙ্গেই আছে সমাধানঃ
দাতের ব্যথায় লবঙ্গ খুবই কার্যকর। এতে আছে আন্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, এন্টিব্যক্টেরিয়াল, এন্টি অক্সিডেন্ট এবং এনেস্থেটিক উপাদান যা ব্যথা নিরাময়ে দ্রুত কাজ করে।
এর জন্য কয়েকটি লবঙ্গকে পেষ্ট বানান, সাথে অল্প পরিমান অলিভ ওয়েল বা ভেজিটেবল ওয়েল মিক্স করুন এবং আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। এইভাবে দিনে কয়েকবার করুন। দেখবেন দু-একদিনেই মাড়ির ফোলা কমে যাবে, ব্যথাও নাই হয়ে যাবে।
বিঃদ্রঃ আমার দাতের ব্যথায় আমি ৪ নাম্বারটি প্রয়োগ করি ও ফল পাই। সমাধান গুলো ইন্টারনেট থেকে কুড়িয়ে পাওয়া, আমার কোন আবিষ্কার নয়, তাই কাজে না লাগলে আমি দায়ী নই

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here